সঙ্গিনীর যে ৫টি কাজ পুরুষের খুবই পছন্দ, যা তাঁরা প্রকাশ করেন না

সম্পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষ কিন্তু আসলেই নারীর চাইতে অনেক বেশি চাপা। নারী যেখানে নিজের ভালো লাগা-মন্দ লাগা নিয়ে কথা বলেই যান, পুরুষ সেখানে অনেক কিছুই মনের মাঝে চেপে রাখতে ভালোবাসেন। শুধু তাই নয়, নিজের প্রেমিকা স্ত্রীর এমন অনেক কাজই আছে যেগুলো তাঁরা মনে মনে খুব বেশি পছন্দ করলেও কখনোই মুখে প্রকাশ করেন না। কিন্তু এই ব্যাপারগুলোতে সঙ্গিনীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও আকর্ষণ বেড়ে যায় অনেক অনেক বেশি।

কী সেই জিনিসগুলো? চলুন, জেনে নেয়া যাক পুরুষের খুবই পছন্দের ৫টি কাজ।
মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়া:
পৃথিবীর যে কোন পুরুষই তাঁর মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়া পছন্দ করেন। এই কাজটি সাধারণত মায়েরা করে থাকেন, সন্তানের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। প্রেমিকা

মেয়েদের ব্যাপারে যে ১৮টি জিনিস সব পুরুষই ভুল জানেন ও ভাবেন!

সব পুরুষই মনে করেন যে নারীকে তিনি সম্পূর্ণ বুঝে ফেলেছেন। বিশেষ করে নিজের প্রেমিকা ও স্ত্রী সম্পর্কে প্রত্যেক পুরুষই এমন কিছু ধারণা মনে পুষে রাখেন যা একান্তই ভুল। এই ব্যাপার গুলো নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তো হয়ই, অনেকে অযথাই মেয়েদের ছোট করেন। কিন্তু সত্য কথাটা এই যে, নারীর মন বোঝা এত সহজ কোন বিষয় নয়! চলুন জেনে নিই এমন কিছু বিষয়, মেয়েদের ব্যাপারে যা প্রত্যেক পুরুষই ভুল জানেন ও ভাবেন।

১) কোন মেয়ে সুন্দর করে কথা বললেই পুরুষেরা ধরে নেন যে মেয়েটি তার সাথে প্রেম করতে আগ্রহী। এর চাইতে ভুল ধারণা আর হতেই পারে না। মেয়েরা কিন্তু খুব অপছন্দের মানুষের সাথেই দারুণ ভদ্র আচরণ করতে জানেন।
২) মেয়েদের বিরুদ্ধে দুর্নাম আছে যে তাঁরা বাড়াবাড়ি ইমোশোনাল। পুরুষেরা ভুলে যায় যে সকলের আবেগ প্রকাশের ধরণ এক হয় না। মেয়েদের আবেগ প্রকাশ পুরুষের চাইতে ভিন্ন বলেই তাঁকে নিয়ে ঠাট্টা করার কিছু নেই।
৩) একজন আত্মবিশ্বাসী ও মেজাজি স্বভাবের নারীকে

মেয়েরা কেন প্রথমে ছেলেদের প্রপোজ করেনা?

love q 300x154 মেয়েরা কেন প্রথমে ছেলেদের প্রপোজ করেনা?অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, সকলেই জানেন এবং শুনে থাকেন যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রথমে ছেলেটিই প্রপোজ করে থাকেন, এরপর মেয়েটির সম্মতিতে সম্পর্ক তৈরি হয়। মেয়েরা প্রথমে প্রপোজ করেছেন ব্যাপারটি খুবই কম ঘটে। কিন্তু কেন ছেলেরাই প্রথমে প্রপোজ করেন সম্পর্কের ক্ষেত্রে, কেন মেয়েরা

পিছিয়ে যান সেটা জানেন কি?
যখন একটি মেয়ে কাউকে পছন্দ করেন এবং তাকে প্রস্তাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত হন তখন তার মনে কিছুপ্রশ্নের উদ্ভব ঘটে। এই প্রশ্নগুলো যে ছেলেদের ক্ষেত্রে ঘটে না তা নয়। কিন্তু সমস্যা হলো মেয়েটি এই প্রশ্নের দ্বিধা থেকে বেরিয়ে এসে আর প্রপোজ করতে পারেন না, যা ছেলেরা পারেন।
যদি সে না বলে দেয়?

যে কারণে মেয়েরা আকৃষ্ট হয় ‘খারাপ’ ছেলেদের প্রতি!

love r 300x197 যে কারণে মেয়েরা আকৃষ্ট হয় খারাপ ছেলেদের প্রতি!কলেজের সবচেয়ে বখাটে ছেলেটিও এই পর্যন্ত তিন তিনটা প্রেম করে ফেললো। আর আমি এতো ভালো ছাত্র হয়েও একটি প্রেমও হলো না এখন পর্যন্ত। তাহলে কি মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদের দাম বেশি? ভালো ছেলেদের কি কোনো দামই নেই? এই প্রশ্নগুলো কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছেলেদের মনেই ঘুরে।
খারাপ ছেলেদের প্রতি মেয়েদের এতো আকর্ষন কেনো? স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রশ্নটা মনে জাগতে পারে যখন কেউ দেখা যায় যে খারাপ ছেলেরা খুব সহজেই মেয়েদের পটিয়ে ফেলছে। আর মেয়েরাও খারাপ ছেলেদের প্রতি তীব্র আকর্ষণ বোধ করছে। কিন্তু এর কারণ কি? ভালো ছেলেদের বদলে খারাপ ছেলেদের প্রতি এমন আকর্ষণ কি অস্বাভাবিক নয়? জেনে নিন কারন গুলো।
চ্যালেঞ্জ নেয়া
মেয়েরা চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। আর একটা খারাপ ছেলের সাথে সম্পর্ক করাকে তাঁরা একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়। চ্যালেঞ্জটা হলো একটা খারাপ ছেলেকে ধীরে ধীরে ভালো করে তোলা। কিন্তু এই কঠিন চ্যালেঞ্জে বেশিরভাগ মেয়েকেই হেরে যেতে হয়। কারণ খুব কম ক্ষেত্রেই একটা খারাপ ছেলে ভালো পথে ফিরে আসতে পারে।
সবচাইতে মজার ব্যাপার হলো একটা ছেলেকে খারাপ পথ থেকে ভালো পথে ফিরিয়ে আনার পর সেই মেয়েটিই ঐ ছেলের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে ফেলে। কারণ যেসব স্বভাবের কারণে মেয়েটির কাছে ঐ ছেলেটিকে ভালো লেগেছিলো, সেই স্বভাবগুলো আর ছেলেটির মধ্যে খুঁজে পায় না। ফলে ছেলেটির প্রতি মেয়েটির আগ্রহ কমে যায়।
আত্মবিশ্বাস
মেয়েরা আত্মবিশ্বাসী ছেলেদেরকে পছন্দ করে। আর খারাপ ছেলেদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের কোনো কমতি থাকে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাঁরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয় অথবা আত্মবিশ্বাসী না হলেও অভিনয় করে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মেয়েরাই এধরণের ছেলেদের প্রতি বেশি আকর্ষণবোধ করে। এবং এই আকর্ষণের কারণে মেয়েরা একটা ভুল সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যায়।
পৌরুষ
খারাপ ছেলে বললে আপনার চোখে সবার প্রথমে কি ভেসে উঠে? কালো সানগ্লাস, মোটর সাইকেল, মুখে সিগারেট আর ট্যাটু? এই বৈশিষ্ট্যগুলোর জন্যই বেশিরভাগ নারীর কাছেই খারাপ ছেলেদেরকে বেশি পুরুষত্বের অধিকারী মনে হয়। ফলে এ ধরণের ছেলেদেরকে তাঁরা সাহসী ভাবে এবং তাদের সংস্পর্শে মেয়েরা নিজেদেরকে বেশি নিরাপদ মনে করে। যদিও প্রকৃতপক্ষে খারাপ ছেলেদের সংস্পর্শ কখনোই নিরাপদ হতে পারে না।
রহস্য
মেয়েদের কাছে খারাপ ছেলেদেরকে রহস্যময় লাগে। একটা খারাপ ছেলে কি করছে, তার জীবনযাত্রা কেমন, কোথায় যাচ্ছে এসব নিয়ে বেশিরভাগ মেয়েই বেশ উৎসাহী থাকে। আর এই রহস্য উৎঘাটনের নেশার বশেই ভুল পথে পা বাড়ায় মেয়েরা।
সম্পর্কে আধিপত্য
যে সব মেয়েরা পুরুষের উপর বেশি নির্ভরশীল থাকতে পছন্দ করে তাঁরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর আধিপত্যও পছন্দ করে। একটু বখাটে ধরণের বদমেজাজি ছেলেরা সঙ্গীর উপর জোর করে আধিপত্য দেখায়। তারা চায় তার স্ত্রী কিংবা বান্ধবী সব কিছু তার কথা মতই করুন এবং তার অনুমতি নিয়েচলুক।
কথাবার্তা
বেশিরভাগ খারাপ ছেলেরাই মেয়েদের পটিয়ে অভ্যস্ত। কিভাবে মেয়েদের সাথে কথা বলতে এগিয়ে যেতে হবে, কিভাবে প্রেমের প্রস্তাব দিতে হবে কিংবা প্রশংসা করতে হবে এগুলো তাঁরা বেশ ভালো করেই জানে। এসব ক্ষেত্রে তাদের কোনো জড়তা কাজ করে না। ফলে তাঁরা সহজেই মেয়েদেরকে পটিয়ে ফেলার ক্ষমতা অর্জন করে।
ভালো ছেলেরা একটু লাজুক প্রকৃতির হয়। ফলে একটা মেয়ের সাথে নিজে থেকে এগিয়ে গিয়ে পরিচিত হতে কিংবা সখ্যতা গড়ে তুলতে বেশ সময় লেগে যায় তাদের। আর এই সুযোগের ব্যবহার করে খারাপ ছেলেরা। ফলে তাঁরা বেশ সহজেই মেয়ে পটিয়ে ফেলতে পারে। ওয়েবসাইট (ব্যবহৃত ছবি প্রতিকী)

মেয়েরা যে কারণে প্রেম করতে ভয় পায়

1434270563MTnews24.com57 300x202 মেয়েরা যে কারণে প্রেম করতে ভয় পায়প্রতারণার শিকার হয়ে অনেক নারীই আর কখনই প্রেমের সম্পর্কে না জড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু এমন অনেক নারী আছেন, যাঁরা এরকম কোনো অভিজ্ঞতার মুখোমুখি না হয়েও কখনো প্রেম করতে চান না। এমনকি কেউ তাঁকে সত্যিই ভালোবাসে, এমনটা জানার পরও সেই নারীরা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। মগ্ন থাকেন শুধু নিজের মধ্যেই। ‘প্রেমের জন্য না ‘এমন এক অদৃশ্য প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে এই দুনিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। তাঁরা শুধু কি কারও সঙ্গে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবেন না, এই কারণে? নাকি কিছুটা নারীবাদ ঘেঁষা এই নারীরা পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হলেও পরে আবার ভাবেন, ‘তাদেরকে ছাড়াই তো অনেক ভালো আছি?’ কেন এই নারীরা কখনো প্রেম না করার সিদ্ধান্ত নেন বা কোনো প্রেম প্রস্তাবে সাড়া দেন না?
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার আতঙ্ক বেশির ভাগ সম্পর্কগত ইস্যুরই সাধারণ একটা সমস্যা। অনেকেই কারও সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কোনো সম্পর্কে জড়াতে চান না প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে—এই আতঙ্কে। হয়তো কোনো পুরুষের প্রতি ওই নারীর আবেগ-অনুভূতি আছে। কিন্তু তার পরও দায়িত্বশীল একটা সম্পর্কে জড়ানোর ভয়ে তিনি প্রত্যাখ্যান করবেন পুরুষটিকে। নারীটি হয়তো তাঁর মাথায় আনবেন প্রেমের সম্পর্ক গড়ার সব নেতিবাচক চিন্তাগুলো। আর শেষে ঘোষণা করবেন, ‘আমি একাই ভালো আছি, কোনো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কের চেয়ে।’

অনেক নারীই তাঁর চারপাশে অনেক খারাপ সম্পর্কের অভিজ্ঞতার সামনা-সামনি হতে হতে প্রেমেরসম্পর্ক গড়ার ওপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। চিকিৎসা মনোবিজ্ঞানী মানসি হাসান টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, ‘যেসব নারী তাঁদের চারপাশে, পরিবার বা বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে অনেক দাম্পত্য কলহ দেখেন বা বাজে প্রেমের সম্পর্ক দেখেন—তাঁরা কিছুটা বিতৃষ্ণা থেকেই পুরুষদের দূরে সরিয়ে রাখেন। তাঁরা হয়তো কখনো অনুধাবন করেন না যে তাঁদের নিজেদের জীবনের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অন্য রকমও হতে পারে। কিন্তু চারপাশের খারাপ অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, কখনো প্রেম করার মতো ভুল করবেন না।’
অনেক নারীই প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে চান না হূদয় ভাঙার ভয়ে। ছেলেদের সব সময় দূরে রাখেন এমন একজন নারী সুশান মার্ক বলেছেন, ‘আমি জানি, আমি সব সময় পুরুষের ভালোবাসা পাওয়ার ব্যাপারটাকে এড়িয়ে গেছি, এমনকি সে আমার প্রতি আকৃষ্ট—এটা জানার পরেও। কারণ, আমি ভয় পাই, যদি পরে আমাকে আঘাত পেতে হয়! আমি এটা সহ্য করতে পারব না। তার চেয়ে আমি অনুভূতি-শূন্য হয়ে থাকব সেটাও ভালো।’ শুধু সুশান মার্কই না, এই হূদয় ভাঙার ভয়টা আরও অনেক নারীর মধ্যেই কাজ করে বলে মনে করেন মনোবিজ্ঞানীরা।
 
ভালোবাসা-টিপস্ Blogger Template by Ipietoon Blogger Template